বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

ধর্মের নামে মৌলবাদের আজান বন্ধ করতে হবে

বোরহান উদ্দিন
প্রকাশিত : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই সারাদেশে ইসলামী মৌলবাদ, চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের অর্থবহ প্রমাণ ও কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসে। দ্বীন ইসলামের ধর্মের নামে আগ্রাসন ১৯৭১ সালের পর পুনরায় জামায়াতে ইসলামী এ দেশের মানুষকে স্পষ্ট করে। স্বাধীনতাযুদ্ধে এ দেশে তথাকথিত ধর্মপালনকারী মওদুদীবাদের মৌলবাদীরা ধর্মের নবী মুহাম্মদের দেখানো পথেই হাঁটতে শুরু করে।

ধর্ম ইসলাম প্রাগৈতিহাসিকভাবেই নারীদের অমর্যাদা করে এসেছে। কখনো গণিমতের মাল হিসেবে উপভোগ, কখনো দাসী কিংবা কখনো নবী মুহাম্মদ নিজেই কুরআনের আয়াত নাজিল করে এ নারীদের পুরুষের কামনা-বাসনা ও মনোরঞ্জনের সামগ্রী হিসেবে নারীদের প্রতিস্থাপন করেছেন। নবী মুহাম্মদের নিজের ১১ স্ত্রী, ২ দাসী ও যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের প্রতি নির্যাতনের চিত্র ইসলামে এসব স্বীকৃত ইতিহাস।

জামায়াতে ইসলামীও ১৯৭১ সালে নারীদের ধর্ষণ, হত্যার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে এসেও জামায়াতসহ হেফাজতে ইসলাম, চরমোনাই, খেলাফত মজলিশের মতো ধর্মপালনকারী এসব মুসলমানেরা ইসলামি সন্ত্রাসবাদের মধ্য দিয়ে খেলাফত ও শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়ন চায়। যাতে অল্পবয়সী নাবালিকা নারীদের ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগেই বিয়ে করা যায়। একাধিক স্ত্রী নিজেদের কামনা, বাসনা ও যৌনতা নিবৃত্ত করতে ব্যবহার করা যায় নবী মুহাম্মদের মতো। এসব কিছুই নারীদের প্রতি অবমাননাকর ও অসজন্যমূলক।

১৫৭ হাজার বর্গমাইলের দেশে মানুষের চেয়ে ধর্মের টুপির সংখ্যা বেশি। ধর্মান্ধ এই মুসলমানদের উন্মাদনা ছড়িয়েছে কুরআন, শরিয়াহ আইন ও কালেমার পতাকা উত্তোলনে। এসব মুসলমান জিহাদি, জঙ্গি এবং উগ্র।

সারাদেশে ধর্মীয় মাদ্রাসা ও মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে। যেখান থেকে নিয়মিত প্রতিদিন পাঁচবার করে আজানের শব্দ উচ্চারিত হয়। যা এই ধর্মান্ধদের উন্মাদনাকে বাড়িয়েছে বহুগুণে।

ডেনমার্কের মতো দেশে প্রকাশ্যে আজানকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের মতো দেশে রাস্তা আটকে নামাজ পড়া, ভিক্ষাবৃত্তি করে মসজিদ বানানো, ইসলামের নামে মাদ্রাসা বানানো; যেখানে ধর্মশিক্ষার নামে বলাৎকার ও ধর্ষণ ছড়িয়েছে, বোরখা, হিজাব—এসব সবই নিষিদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে উগ্র ইসলামকে দমন করতে হবে। একই সঙ্গে দমন করতে হবে এসব জিহাদি, উগ্র ও মৌলবাদী ইসলামী গোষ্ঠীগুলিকে।


আরও পড়ুন