সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন

হজ, হূর ও ধর্মীয় বিশ্বাস: পাপমোচনের বাণিজ্য

বোরহান উদ্দিন
প্রকাশিত : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

ধর্ম ইসলামের যৌনতা, কথিত দোজখের আগুন থেকে বাঁচা এবং জান্নাতে ৭২ হূর সম্ভোগের অভিপ্রায় থেকে চলতি বছর ৭৭ হাজার বাংলাদেশি ধর্মপাল মক্কায় হজ পালন করার নামে এপস্টিন নবীর ধর্ষণে, দুঃখিত, দর্শনে গিয়েছিল।

বাংলাদেশে আরবের মরুর ধর্ম ইসলামের যে বীর্যপাত হয়েছিল, সে বীর্যপাত যথেষ্ট নয়। একদল পাপাচারী নারী ও পুরুষ গিয়েছে পাপ মোচন করতে।

কাবায় ঘোরা (নারী ও পুরুষ সংঘবদ্ধভাবে), পোদ উঁচু করে নামাজ আদায় করা, পেগানদের চন্দ্রদেবতার কন্যা লাত দেবীর প্রতীক-পাথরে চুম্বন করা, যে শয়তানকে ১৪০০ বছর ধরে পাথর মেরেও শেষ করা যায়নি; সেখানে পাথর ছোড়া—এসব কর্মই কায়মনোবাক্যে করা গেলে পাপমোচন হবে।

বাংলাদেশে শিশু ধর্ষক, বলাৎকারকারী, দুর্নীতিবাজ কি মাত্র সাড়ে ৭৭ হাজার?

না, যৌন ধর্ম ইসলাম ও কোরআন মানা, শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়ন চাওয়া এসব শুকরের পালের সংখ্যা আরও বেশি?

এরা পরের বছর যাবে, এরপর যারা অবশিষ্ট থাকবে তারা যাবে তারও পরের বছর। এভাবেই রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করে ধর্মের নামে এ ব্যবসা চলমান থাকবে।

এভাবেই সকল মুসলমান তাঁদের পেয়ারে নবীর মতো বেহেশতে ৭২ হূরের সঙ্গে সম্ভোগ, যৌনতা আর বীর্যপাতের স্বপ্ন থেকে। কামের নবী মুহাম্মদ এমন ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে। ৭২ হূরের সঙ্গে যুক্ত হবে ১১ স্ত্রী ও ২ যৌনদাসী। ৮৫ নারীর সঙ্গে গুচ্ছ গুচ্ছ সেক্সে এক আনন্দময় জীবন অতিবাহিত করবে নবী মুহাম্মদ।

হজ পালনে লিঙ্গপাল মুসলমানের নবী মুহাম্মদের কথিত সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির চেয়ে বেহেশতে গিয়ে হূরের সঙ্গে এক আনন্দময় জীবনই এখানে উপলক্ষ্য।


আরও পড়ুন