বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

হজ, হূর ও ধর্মীয় বিশ্বাস: পাপমোচনের বাণিজ্য

বোরহান উদ্দিন
প্রকাশিত : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

ধর্ম ইসলামের যৌনতা, কথিত দোজখের আগুন থেকে বাঁচা এবং জান্নাতে ৭২ হূর সম্ভোগের অভিপ্রায় থেকে চলতি বছর ৭৭ হাজার বাংলাদেশি ধর্মপাল মুসুল্লি মক্কায় হজ পালন করার নামে দর্শনে গিয়েছিলো পেয়ারের ভন্ড নবী মুহাম্মদের রওজা।

বাংলাদেশে আরবের মরুর ধর্ম ইসলামের যে সূত্রপাত হয়েছিলো, সে সূত্রপাত সকলকে মুমিন মুসলমান বানাতে পারেনি। একদল পাপাচারী নারী ও পুরুষ গিয়েছে পাপ মোচন করতে।

কাবায় ঘোরা (নারী ও পুরুষ সংঘবদ্ধভাবে),  নামাজ আদায় করা, পেগানদের চন্দ্রদেবতার কন্যা লাত দেবীর প্রতীক-পাথরে চুম্বন করা, যে শয়তানকে ১৪০০ বছর ধরে পাথর মেরেও শেষ করা যায়নি; সেখানে পাথর ছোড়া—এসব কর্মই কায়মনোবাক্যে করা গেলে পাপমোচন হবে।

বাংলাদেশে শিশু ধর্ষক, বলাৎকারকারী, দুর্নীতিবাজ কি মাত্র সাড়ে ৭৭ হাজার?

না,  ধর্ম ইসলাম ও কোরআন মানা, শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়ন চাওয়া এসব শুকরের পালের সংখ্যা আরও বেশি?

এরা পরের বছর যাবে, এরপর যারা অবশিষ্ট থাকবে তারা যাবে তারও পরের বছর। এভাবেই রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করে ধর্মের নামে এ ব্যবসা চলমান থাকবে।

এভাবেই সকল মুসলমান তাঁদের পেয়ারে নবীর মতো বেহেশতে ৭২ হূরের সঙ্গে সম্ভোগ অসংখ্য নেয়ামত ভোগের স্বপ্নে বিভোর থাকে।  নবী মুহাম্মদ এমন ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে। ৭২ হূরের সঙ্গে যুক্ত হবে ১১ স্ত্রী ও ২ দাসী। ৮৫ নারীর সঙ্গে একত্রিত হবার এক আনন্দময় জীবন অতিবাহিত করবেন নবী মুহাম্মদ।

হজ পালনে ধর্মপাল মুসলমানের নবী মুহাম্মদের কথিত সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির চেয়ে বেহেশতে গিয়ে হূরের সঙ্গে এক আনন্দময় জীবনই এখানে উপলক্ষ্য।


আরও পড়ুন